খেলারদেশ

বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬

ক্লান্তিময় ম্যাচ জিতে কোয়ার্টারে ফাইনালে ফ্রান্স

প্যারাগুয়ের রক্ষণাত্মক ফুটবলের সাথে লড়ে ক্লান্তিময় এক ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলো ফ্রান্স। এবারও লেস ব্লুস দলের জয়ের নায়ক অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে।

ক্লান্তিময় ম্যাচ জিতে কোয়ার্টারে ফাইনালে ফ্রান্স

আবারও ফ্রান্সের জয়ের নায়ক অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে

খেলার দেশ ডেস্ক
By খেলার দেশ ডেস্ক

এই বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে হতাশাজনক ম্যাচটা ফ্রান্স খেললো রাউন্ড অব সিক্সটিনে, লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে রক্ষণাত্মক দল প্যারাগুয়ের বিপক্ষে; হতাশাজনক তো বটেই, সবচেয়ে কঠিন ম্যাচও এটি। আর নিরপেক্ষ দর্শকের কাছে ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত এ ম্যাচটি বিরক্তি উৎপাদন করেছে।

প্রথমার্ধ এতটাই ম্যাড়মেড়ে ছিলো যে, কোনো দলই অনটার্গেট শট নিতে পারেনি! কিলিয়ান এমবাপ্পে, ওসমান দেম্বেলে, মাইকেল ওলিসে ত্রয়ীকে নিয়ে ফ্রান্সের ভয়ঙ্কর আক্রমণভাগ প্যারাগুয়ের গোছানো রক্ষণে গিয়ে ধার হারিয়েছে।

দ্বিতীয়ার্ধে ঘুমন্ত দৈত্য ফ্রান্স জেগে ওঠে ঠিকই, কিন্তু কাজের কাজ অর্থাৎ গোলটাই করতে পারছিলো না কেউ। রক্ষণবাধা পেরিয়ে গেলেও ফ্রান্সের তারকা ফরোয়ার্ডরা গোলরক্ষক অরলান্ডো হিলকে পরাস্ত করতে পারছিলো না।

ডেডলক ভাঙে দেজিরে দুয়ে মাঠে নামার পর চার মিনিটের মধ্যে। ডিবক্সের মধ্যে ড্রিবল করার সময় দুয়েকে ফাউল করেন মিগেল আলমিরন। ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির সহায়তায় মাঠের পাশে থাকা মনিটরে রিপ্লে দেখে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি।

অরলান্ডো হিলকে বামপাশে পাঠিয়ে ডান দিকে শট নেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ১-০ গোলের লিড নেয় বিশ্বকাপের টপ ফেভারিট ফ্রান্স। চলতি বিশ্বকাপে এটি এমবাপ্পের ৭ম গোল। গোলসংখ্যা মেসির সমান হলেও, দুটি অ্যাসিস্ট থাকায় গোল্ডেন বুট জেতার দৌড়ে এমবাপ্পে সবার উপরে অবস্থান করছেন।

বিশ্বকাপে এখন এমবাপ্পের গোল মানেই কোনো না কোনো রেকর্ড!

বিশ্বকাপে এখন এমবাপ্পের গোল মানেই কোনো না কোনো রেকর্ড!

এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে সর্বাধিক ১১ গোলের রেকর্ড করলেন ফ্রান্স অধিনায়ক এমবাপ্পে। ২০১৮ আসর থেকে এবারের বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত নকআউট ম্যাচে এমবাপ্পের সমান গোল করতে পারেনি আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, স্পেন, ইংল্যান্ড ও পর্তুগাল দল! বিশ্বকাপে ১৯ ম্যাচ খেলে ১৯ গোল ২৭ বছর বয়সী এমবাপ্পের। একাধিক বিশ্বকাপে ৭ গোল করার রেকর্ডে মেসি ও এমবাপ্পে এখন সমানে-সমান।

শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সকে অই এক গোলের জয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়। আরো ৫টি সুযোগ তৈরি করলেও অরলান্ডো হিলকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে জড়াতে পারেনি ফরাসি দল।

প্যারাগুয়ে পুরো ম্যাচে অনটার্গেট শট নিয়েছে মাত্র একটি, যেটি আবার ফ্রান্সের গোলরক্ষক মাইক মাইনানকে বিন্দুমাত্র অসুবিধায় ফেলতে পারেনি। কেবল ফাউল করার দিক দিয়েই এই ম্যাচে আধিপত্য দেখিয়েছে প্যারাগুয়ে, ১৩টি ফাউল করেছে তারা।

৯ জুলাই কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ এটলাস লায়ন্স মরক্কো, যারা অন্যতম স্বাগতিক কানাডাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শেষ আটে উঠেছে।

খেলার দেশ ডেস্ক

খেলার দেশ ডেস্ক

খেলাধুলার সব খবর ও বিশ্লেষণ সবার আগে পেতে চোখ রাখুন খেলারদেশে।

মন্তব্যসমূহ (0)

মন্তব্য করতে এবং আলোচনায় অংশ নিতে আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।