খেলারদেশ

ফিফা আসিয়ান কাপ

আসিয়ান কাপের ফিকশ্চার চূড়ান্ত, বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ কারা

প্রথমবারের মতো আয়োজিত ফিফা আসিয়ান কাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাওয়ার পর এবার চূড়ান্ত হয়েছে বাংলাদেশের গ্রুপ পর্বের ফিকশ্চারও। গ্রুপ ‘এ’-তে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর।

আসিয়ান কাপের ফিকশ্চার চূড়ান্ত, বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ কারা

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল

খেলার দেশ ডেস্ক
By খেলার দেশ ডেস্ক

নতুন এক আন্তর্জাতিক মঞ্চে নামতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো আয়োজিত ফিফা আসিয়ান কাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাওয়ার পর এবার চূড়ান্ত হয়েছে বাংলাদেশের গ্রুপ পর্বের ফিকশ্চারও। গ্রুপ ‘এ’-তে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর।

আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করবে বাংলাদেশ। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় ম্যাচে সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি হবে লাল-সবুজের দল। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ১ অক্টোবর স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। অর্থাৎ গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচেই ভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে বাংলাদেশের জন্য।

ফিফা আসিয়ান কাপের প্রিমিয়ার ডিভিশনে মোট আটটি দল দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে। বাংলাদেশের গ্রুপ ‘এ’-তে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর। অন্যদিকে গ্রুপ ‘বি’-তে আছে থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন ও পাকিস্তান। টুর্নামেন্টের প্রিমিয়ার ডিভিশনের সব ম্যাচই ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশের প্রথম প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম পরিচিত দল। তাদের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই শুরু হবে বাংলাদেশের আসিয়ান কাপ অভিযান। এরপর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচটি হবে গ্রুপের হিসাব-নিকাশে গুরুত্বপূর্ণ। শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে খেলতে হবে বাংলাদেশকে। ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাগুলোর একটি হতে পারে।

প্রিমিয়ার ডিভিশন ও চ্যালেঞ্জ ডিভিশন শিরোনামে দুটি গ্রুপে ভাগে টুর্নামেন্টটিকে সাজানো হয়েছে। সে হিসেবে টুর্নামেন্টের ফাইনালও হবে দুটি। একটি প্রিমিয়ার ডিভিশনের ফাইনাল, অপরটি চ্যালেঞ্জ ডিভিশনের ফাইনাল। গ্রুপ পর্ব শেষে দুই গ্রুপের শীর্ষ দল খেলবে প্রিমিয়ার ডিভিশনের ফাইনালে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ৫ অক্টোবর হবে ফাইনাল। একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, যেখানে দুই গ্রুপের রানার্সআপ দল মুখোমুখি হবে।

বাংলাদেশের জন্য এই টুর্নামেন্টের গুরুত্ব শুধু নতুন একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নভেম্বরে দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। তার আগে ইন্দোনেশিয়ায় মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়ার মতো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার সুযোগ জাতীয় দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি হিসেবে কাজ করতে পারে।

ভারত শেষ মুহূর্তে টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানোর পর তাদের জায়গায় বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানায় ফিফা। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) সেই প্রস্তাবে সম্মতি দেওয়ার পর ২২ আগস্ট বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়।

তবে প্রস্তুতির সময় নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তা রয়েছে। বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবল মৌসুম শুরু হচ্ছে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি, আর ফিফা আন্তর্জাতিক উইন্ডো শুরু হবে ২১ সেপ্টেম্বর। ফলে জাতীয় দলের কোচ টমাস ডুলিকে পূর্ণ দল নিয়ে প্রস্তুতির জন্য খুব বেশি সময় পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

তারপরও বাংলাদেশের সামনে এটি বড় সুযোগ। শক্তিশালী আঞ্চলিক প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিজেদের সামর্থ্য যাচাইয়ের পাশাপাশি নতুন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ভালো করার লক্ষ্য নিয়েই ইন্দোনেশিয়ায় যাবে বাংলাদেশ।

খেলার দেশ ডেস্ক

খেলার দেশ ডেস্ক

খেলাধুলার সব খবর ও বিশ্লেষণ সবার আগে পেতে চোখ রাখুন খেলারদেশে।

সম্পর্কিত আরও খবর

এই বিভাগের সব খবর →

মন্তব্যসমূহ (0)

মন্তব্য করতে এবং আলোচনায় অংশ নিতে আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।