খেলারদেশ

ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ

বায়ার্ন মিউনিখ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জয়

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের রাতে বড় জয় পেয়েছে ইউরোপের দুই ঐতিহ্যবাহী ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। বোদো/গ্লিম্টকে পাঁচ গোলের ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে বায়ার্ন। আর সাবাহর বিপক্ষে চার গোলের জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। দুই ম্যাচেই প্রথমার্ধের পর নিজেদের আক্রমণাত্মক ফুটবলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিয়ে নেয় দুই দল।

বায়ার্ন মিউনিখ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জয়
খেলার দেশ ডেস্ক
By খেলার দেশ ডেস্ক

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের রাতে বড় জয় পেয়েছে ইউরোপের দুই ঐতিহ্যবাহী ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। বোদো/গ্লিম্টকে পাঁচ গোলের ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে বায়ার্ন। আর সাবাহর বিপক্ষে চার গোলের জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। দুই ম্যাচেই প্রথমার্ধের পর নিজেদের আক্রমণাত্মক ফুটবলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিয়ে নেয় দুই দল।

বোদো/গ্লিম্টের বিপক্ষে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি বায়ার্ন। তবে বিরতির পর বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ৪৭ মিনিটে হ্যারি কেইনের সহায়তায় গোল করে বায়ার্নকে এগিয়ে দেন জামাল মুসিয়ালা। ৬১ মিনিটে মাইকেল অলিসের ক্রস থেকে হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কেইন।

এরপর আরও দুই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় বায়ার্ন। ৭৭ মিনিটে কর্নারের পর বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের শটে গোল করেন আলফনসো ডেভিস। ৮৩ মিনিটে লেনার্ট কার্লের পাসে দূরপাল্লার শটে নিজের প্রথম গোল করেন অলিস। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে কাছ থেকে বাঁ পায়ের শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে বায়ার্নের বড় জয় নিশ্চিত করেন ফরাসি উইঙ্গার।

এর আগে প্রথমার্ধে বায়ার্নের আক্রমণ সামলাতে বেশ কয়েকবার কঠিন পরীক্ষা দিতে হয় বোদো/গ্লিম্টের গোলরক্ষক নিকিতা হাইকিনকে। জোশুয়া কিমিখের একটি শট পোস্টেও লেগেছিল। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য আর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি নরওয়ের ক্লাবটি। ৮৭ মিনিটে ওডিন বিওর্তুফট লাল কার্ড দেখলে ম্যাচের শেষটা আরও কঠিন হয়ে যায় তাদের জন্য।

অন্যম্যাচে, সাবাহর বিপক্ষেও প্রথমার্ধেই এগিয়ে যাওয়ার পর দারুণ জয় তুলে নেয় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ২৭ মিনিটে প্যাট্রিক দর্গুর ক্রস থেকে কাছ থেকে শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মাতেউস কুনহা। ৪২ মিনিটে ইউরি টিয়েলেমান্সের সহায়তায় বক্সের মাঝ থেকে গোল করেন অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেস।

Image

প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক আগে ব্যবধান আরও বাড়ান বেনজামিন শেশকো। ব্রায়ান এমবুমোর থ্রু বল ধরে বক্সের ভেতর থেকে বাঁ পায়ের শটে গোল করেন তিনি। বিরতিতে তিন গোলের লিড নিয়ে যায় ইউনাইটেড।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও একবার জালে বল পাঠায় ইংলিশ ক্লাবটি। ৬৮ মিনিটে সেট পিস থেকে কাছ থেকে বাঁ পায়ের শটে গোল করেন লিসান্দ্রো মার্তিনেস। এরপর একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও আর গোল পায়নি ইউনাইটেড।

শেষ দিকে সাবাহ গোল শোধের চেষ্টা করেছিল। ৯১ মিনিটে ওর্ফে এমবিনার হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। তবে তাতে ম্যাচের ফল বদলায়নি। শেষ পর্যন্ত চার গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।

দুই ম্যাচেই বড় ব্যবধানের জয় দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের রাতে নিজেদের শক্তির জানান দিয়েছে বায়ার্ন ও ইউনাইটেড।

খেলার দেশ ডেস্ক

খেলার দেশ ডেস্ক

খেলাধুলার সব খবর ও বিশ্লেষণ সবার আগে পেতে চোখ রাখুন খেলারদেশে।

সম্পর্কিত আরও খবর

এই বিভাগের সব খবর →

মন্তব্যসমূহ (0)

মন্তব্য করতে এবং আলোচনায় অংশ নিতে আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।