খেলারদেশ

চ্যাম্পিয়ন্স কাপ জয়

মেসির হাত ধরে মায়ামির পঞ্চম শিরোপা

মেসির হাত ধরে মায়ামির পঞ্চম শিরোপা
খেলার দেশ ডেস্ক
By খেলার দেশ ডেস্ক

লিওনেল মেসির হাত ধরে আরও একটি শিরোপা জিতল ইন্টার মায়ামি। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকালে নতুন নু স্টেডিয়ামে মেক্সিকোর ক্লাব ক্রুজ আজুলকে ২-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ক্যাম্পেওনেস কাপ জিতেছে মায়ামি। দলের জয়ে নিজে একটি গোল করার পাশাপাশি দ্বিতীয় গোলেও অবদান ছিল মেসির। এই জয়ে মেসি-যুগে ইন্টার মায়ামির শিরোপার সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচে।

ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রেখে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মায়ামি। ২৪ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। লুইস সুয়ারেজের ক্রস থেকে বক্সের ভেতর দারুণভাবে উঠে হেড করেন মেসি। ক্রুজ আজুলের গোলরক্ষক কেভিন মিয়েরকে কোনো সুযোগ না দিয়ে বল জালে পাঠান আর্জেন্টাইন তারকা। গোলটি ছিল ইন্টার মায়ামির জার্সিতে মেসির ১০০তম গোল।

মজার ব্যাপার, মায়ামির হয়ে মেসির প্রথম গোলটিও এসেছিল ক্রুজ আজুলের বিপক্ষে। ২০২৩ সালে লিগস কাপে নিজের মায়ামি অভিষেক ম্যাচে যোগ করা সময়ে ফ্রি-কিক থেকে গোল করেছিলেন তিনি। তিন বছরের কিছু বেশি সময় পর একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষেই পূর্ণ করলেন ক্লাবটির হয়ে গোলের সেঞ্চুরি।

Image

দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরানোর চেষ্টা করে ক্রুজ আজুল। একপর্যায়ে গ্যাব্রিয়েল ফের্নান্দেজের হেড মায়ামির পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এরপর ফিরতি বল থেকে জোসে পারাদেলার শটও প্রতিহত করেন মায়ামির খেলোয়াড়েরা। ফলে গোলের সুযোগ পেয়েও সমতায় ফিরতে পারেনি মেক্সিকান ক্লাবটি।

শেষ পর্যন্ত ৮১ মিনিটে ম্যাচের ভাগ্য নিশ্চিত করে মায়ামি। মেসির নেওয়া কর্নার থেকে হেড করে গোল করেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরো। ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর আর ম্যাচে ফেরার সুযোগ দেয়নি মায়ামি।

এই শিরোপা মায়ামির জন্য বিশেষ এক অর্জন। মেসি ক্লাবটিতে যোগ দেওয়ার পর ২০২৩ সালে লিগস কাপ দিয়ে শুরু হয়েছিল শিরোপা-যাত্রা। ২০২৪ সালে সাপোর্টার্স শিল্ড, ২০২৫ সালে এমএলএস কাপ এবং এবার ২০২৬ সালে ক্যাম্পেওনেস কাপ জিতল তারা। অর্থাৎ মেসিকে দলে পাওয়ার পর টানা চার মৌসুমেই অন্তত একটি শিরোপা জিতেছে ইন্টার মায়ামি। শুধু দলীয় সাফল্য নয়, মেসির ব্যক্তিগত রেকর্ডের তালিকাতেও যোগ হয়েছে নতুন অধ্যায়। ক্রুজ আজুলের বিপক্ষে গোলটি ছিল মায়ামির হয়ে তাঁর ১১৫ ম্যাচে ১০০তম গোল। ক্লাবটির ইতিহাসে তিনিই প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এই মাইলফলকে পৌঁছেছেন। তাঁর ১০০ গোলের মধ্যে ৬৯টি এসেছে বাঁ পায়ে, ৯টি ডান পায়ে, ১০টি ফ্রি-কিক থেকে, ৬টি হেডে এবং ৫টি পেনাল্টি থেকে।

এ ছাড়া মেজর লিগ সকারে আরও একটি দ্রুততম রেকর্ডের মালিক মেসি। মাত্র ৬৪ ম্যাচে ১০০ গোল-কন্ট্রিবিউশন, অর্থাৎ গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে শতক পূর্ণ করে তিনি এমএলএস ইতিহাসে দ্রুততম খেলোয়াড় হন। ওই রেকর্ডের সময় তাঁর ছিল ৫৯ গোল ও ৪১ অ্যাসিস্ট। শিরোপার হিসাবেও নতুন মাইলফলক ছুঁয়েছেন মেসি। ক্যাম্পেওনেস কাপ জয়ের পর এটিকে তাঁর ৪৯তম শিরোপা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এমএলএস-এর নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী তাঁর দলীয় শিরোপার সংখ্যা ৪৮, কারণ বিভিন্ন পরিসংখ্যানে কোন কোন দলীয় সাফল্যকে স্বতন্ত্র ট্রফি হিসেবে গণনা করা হবে, তা নিয়ে পার্থক্য রয়েছে।

খেলার দেশ ডেস্ক

খেলার দেশ ডেস্ক

খেলাধুলার সব খবর ও বিশ্লেষণ সবার আগে পেতে চোখ রাখুন খেলারদেশে।

সম্পর্কিত আরও খবর

এই বিভাগের সব খবর →

মন্তব্যসমূহ (0)

মন্তব্য করতে এবং আলোচনায় অংশ নিতে আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।