চেলসি-টটেনহ্যাম ম্যাচে ফেস শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করবে পুলিশ
চেলসি ও টটেনহ্যাম হটস্পারের মধ্যকার প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে লাইভ ফেসিয়াল রিকগনিশন (এলএফআর) প্রযুক্তি ব্যবহার করবে লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ। শনিবার চেলসির মাঠে লন্ডন ডার্বিকে কেন্দ্র করে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়টি জানিয়েছে চেলসি সাপোর্টার্স ট্রাস্ট (সিএসটি)।

চেলসির স্টেডিয়াম স্ট্যামফোর্ড ব্রিজ
চেলসি ও টটেনহ্যাম হটস্পারের মধ্যকার প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে লাইভ ফেসিয়াল রিকগনিশন (এলএফআর) প্রযুক্তি ব্যবহার করবে লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ। শনিবার চেলসির মাঠে লন্ডন ডার্বিকে কেন্দ্র করে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়টি জানিয়েছে চেলসি সাপোর্টার্স ট্রাস্ট (সিএসটি)।
রয়টার্সকে পুলিশ নিশ্চিত করেছে, উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ফুটবল ম্যাচে নিয়মিত নিরাপত্তাব্যবস্থার অংশ হিসেবেই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। সিএসটির তথ্য অনুযায়ী, ম্যাচের আগে নির্ধারিত সময়ে আর্লস কোর্ট ও ওয়েস্ট ব্রম্পটন এলাকায় দুটি ভ্যান মোতায়েন করবে পুলিশ।

যেভাবে কাজ করে এলএফআর প্রযুক্তি ছবি: এআই নির্মিত
ফেস শনাক্তকরণ প্রযুক্তির মাধ্যমে পুলিশ ফুটবল মাঠে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা পাওয়া ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা করবে। তালিকায় চেলসি ও টটেনহ্যাম, দুই ক্লাবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ফুটবল নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তিদের পাশাপাশি গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত, নিখোঁজ ব্যক্তি এবং আদালতের পরোয়ানায় খোঁজা হচ্ছে এমন ব্যক্তিদের তথ্যও থাকবে।
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে প্রিমিয়ার লিগের এক অর্থায়ন ঘোষণায় জানানো হয়েছিল, লন্ডনে লাইভ ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক ব্যবহারে অর্থ ব্যয় করা হবে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ম্যাচ দেখতে আসা গুরুতর অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার লক্ষ্যে এই প্রযুক্তি ব্যবহারই লক্ষ্য।
দ্য অ্যাথলেটিক গত আগস্টে জানিয়েছিল, লন্ডনের শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবল ম্যাচগুলোতে এই প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক ব্যবহারের জন্য মেট্রোপলিটন পুলিশকে ৩৪ লাখ ২০ হাজার পাউন্ড দিয়েছে প্রিমিয়ার লিগ। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে আর্সেনাল ও টটেনহ্যামের মধ্যকার নর্থ লন্ডন ডার্বিতে প্রথমবারের মতো প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এরপর ২০২৫-২৬ মৌসুমেও দুই দলের মুখোমুখি ম্যাচগুলোতে এটি ব্যবহার করা হয়েছে। লন্ডনের বাইরে মার্সিসাইড পুলিশও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে প্রযুক্তিটি চালু করার পর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও এভারটনের ম্যাচেও এটি ব্যবহার করা হয়।
অবশ্য ফুটবল ম্যাচে নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে প্রযুক্তিটির ব্যবহার বাড়লেও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নজরদারি নিয়ে এর ব্যবহার ঘিরে বিতর্ক রয়েছে।

খেলার দেশ ডেস্ক
খেলাধুলার সব খবর ও বিশ্লেষণ সবার আগে পেতে চোখ রাখুন খেলারদেশে।
সম্পর্কিত আরও খবর
ক্লাব ফুটবলঅঘটনের শিকার মিলান, সোসিয়েদাদের বড় জয়
ক্লাব ফুটবললাইপজিগের বিপক্ষে বড় জয় রিয়ালের, আর্সেনাল-বায়ার্ন ম্যাচে জেতেনি কেউ
ক্লাব ফুটবলকোমোর বড় জয়ে ভঙ্গুর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
ক্লাব ফুটবলবায়ার্নের মাঠে আর্সেনালের কঠিন পরীক্ষা
ক্লাব ফুটবলবার্সেলোনাকে হারালো পিএসজি, বড় জয় রোমার
ক্লাব ফুটবল
মন্তব্যসমূহ (0)
মন্তব্য করতে এবং আলোচনায় অংশ নিতে আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।