অনূর্ধ্ব-১৫ ফিফা বিশ্বকাপ খেলতে আজারবাইজান গেল বাংলাদেশ দল
ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফুটবল উৎসবে অংশ নিতে আজারবাইজানের উদ্দেশে দেশ ছেড়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ জাতীয় ফুটবল দল। আগামী ২৪ থেকে ৩০ অক্টোবর আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত হবে এই প্রতিযোগিতা। বয়সভিত্তিক ফুটবলারদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ করে দিতে প্রথমবারের মতো এই আয়োজন করছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ জাতীয় ফুটবল দল
ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফুটবল উৎসবে অংশ নিতে আজারবাইজানের উদ্দেশে দেশ ছেড়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ জাতীয় ফুটবল দল। আগামী ২৪ থেকে ৩০ অক্টোবর আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত হবে এই প্রতিযোগিতা। বয়সভিত্তিক ফুটবলারদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ করে দিতে প্রথমবারের মতো এই আয়োজন করছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।
বাংলাদেশের ১৪ সদস্যের দলটির কোচ আকবর হোসেন রিদন। টুর্নামেন্টে ‘জি’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ বুরুন্ডি, ফিজি, ইন্দোনেশিয়া, পর্তুগাল ও ওয়েলস। বিভিন্ন দেশের তরুণ ফুটবলারদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফুটবলের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা।
ছোট মাঠে আটজনের ফুটবল, খেলবে বিশ্বের তরুণেরা
ফিফার তথ্য অনুযায়ী, এই প্রতিযোগিতার প্রথম আসরে বিশ্বের ১৯১টি সদস্য দেশের অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। সব মিলিয়ে তিন হাজারের বেশি খেলোয়াড়, কোচ ও কর্মকর্তা এতে যুক্ত হবেন। প্রায় এক হাজার ম্যাচ হবে ছয়টি ম্যাচের দিনে।
প্রচলিত ১১ জনের ফুটবলের পরিবর্তে এখানে প্রতি দলে খেলবে আটজন করে। প্রতিটি ম্যাচ হবে ৪০ মিনিটের, দুই অর্ধে ২০ মিনিট করে। খেলা হবে ৬৮ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৪৭ মিটার প্রস্থের মাঠে। মূলত কম বয়সী খেলোয়াড়দের বেশি সময় বলের সংস্পর্শে রাখা এবং আন্তর্জাতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার অভিজ্ঞতা দেওয়াই এই ফরম্যাটের অন্যতম উদ্দেশ্য।
প্রতিযোগিতার প্রথম পর্বে দলগুলো গ্রুপভিত্তিক রাউন্ড-রবিন পদ্ধতিতে খেলবে। এই পর্বের ফলের ভিত্তিতে দলগুলোকে ছয়টি স্তরে ভাগ করা হবে। এরপর দ্বিতীয় পর্বে প্রতিটি দল নিজেদের স্তরে আরও ম্যাচ খেলবে। ফলে গ্রুপ পর্বে পিছিয়ে পড়লেও কোনো দলকে আগেভাগে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিতে হবে না। ‘এ’ স্তরের চ্যাম্পিয়নরাই জিতবে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফুটবল উৎসবের শিরোপা।
বাকুর হোভসান কমপ্লেক্সে হবে অধিকাংশ ম্যাচ। উদ্বোধনী ম্যাচ ও ৩০ অক্টোবরের স্তরভিত্তিক ফাইনাল আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে শহরের ক্রিস্টাল হলে। ২০২৭ সালে মেয়েদের অনূর্ধ্ব-১৫ দল নিয়ে এই আয়োজনের দ্বিতীয় সংস্কর হওয়ার কথা। ২০২৮ সাল থেকে ছেলে ও মেয়েদের প্রতিযোগিতা নিয়মিত আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে ফিফা।
বাংলাদেশের জন্য এই আসর বয়সভিত্তিক ফুটবলারদের সামর্থ্য যাচাইয়ের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের খেলার মান বোঝার সুযোগ। পর্তুগাল ও ওয়েলসের মতো দেশের বয়সভিত্তিক দলের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে খেলোয়াড়দের উন্নতিতে কাজে লাগতে পারে। এবারের আসরে ফলের পাশাপাশি শৃঙ্খলা, প্রতিদ্বন্দ্বিতার মান ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জনই হবে বাংলাদেশের তরুণদের বড় পরীক্ষা।

খেলার দেশ ডেস্ক
খেলাধুলার সব খবর ও বিশ্লেষণ সবার আগে পেতে চোখ রাখুন খেলারদেশে।
সম্পর্কিত আরও খবর
আন্তর্জাতিক ফুটবলসাফের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা, ডাক পেয়েছেন রোনান
আন্তর্জাতিক ফুটবলআর্জেন্টিনার সঙ্গে ২০৩০ পর্যন্ত থাকছেন স্কালোনি
আন্তর্জাতিক ফুটবলমুসলিমবিদ্বেষী স্লোগান, স্পেনকে ফিফার জরিমানা
আন্তর্জাতিক ফুটবলশৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে সাময়িক নিষিদ্ধ রোনালদো
আন্তর্জাতিক ফুটবলউজবেকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়
আন্তর্জাতিক ফুটবল
মন্তব্যসমূহ (0)
মন্তব্য করতে এবং আলোচনায় অংশ নিতে আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।