ফুটবল ইতিহাস
ফুটবল ইতিহাসে সেরা ১০ : লোনে পাঠিয়ে মাথায় হাত
ফুটবল ইতিহাসে সেরা ১০ লোন-বুমেরাং

প্রথমে একটা নিয়ম বা চুক্তি সম্পর্কে স্পষ্ট করি। ‘প্যারেন্ট ক্লাব ক্লজ’—ফুটবল লোনের ক্ষেত্রে খেলোয়াড় মূল ক্লাবের বিরুদ্ধে খেলতে পারবেন না, এরকম চুক্তি হয়ে থাকে লোনের ক্ষেত্রে। চুক্তি হয় দুই ক্লাবের মধ্যেই। চুক্তিতে শর্ত হিসেবে কী কী থাকবে তাও দুই ক্লাবের উপর নির্ভর করে। চুক্তির এই নিয়মটি একই সঙ্গে কৌতুহল উদ্দীপক, বিতর্কিত, প্রায়শই দ্বিধা ও জটিলতার তৈরি করে। এবং তৈরি করে মজার অনেক ঘটনা।
দুই ক্লাবের ভেতরকার এই চুক্তিতে লিগ নাক গলায়?

উয়েফা বা ইউরোপীয় কোনো টুর্নামেন্টে এই চুক্তি নিষিদ্ধ ও অকার্যকর। এখানে লোনের খেলোয়াড় তার মূল ক্লাবের বিপক্ষে খেলতে পারবেন। আবার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ এবং এফএ কাপের নিয়ম খুবই কঠোর। এখানে কোনো লোনের খেলোয়াড় মূল ক্লাবের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে পারবেন না। প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ মনে করে, কোনো খেলোয়াড় যদি তার মূল ক্লাবের বিরুদ্ধে খেলেন, তবে স্বার্থের সংঘাত তৈরি হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, খেলোয়াড় যদি ভালো খেলেন তবে তিনি তার মূল ক্লাবের ক্ষতি করছেন। আর যদি খারাপ খেলেন তবে মানুষ ভাববে যে তিনি ইচ্ছা করে নিজের মূল ক্লাবকে জিতিয়ে দিয়েছেন।
অন্যদিকে, স্পেনের লা লিগায় এই নিয়ম প্রচলিত আছে। অর্থাৎ ক্লাব চাইলে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে। লিগ থেকে নিষেধাজ্ঞা নেই, দুই ক্লাবের চুক্তির উপর পুরোটা নির্ভর করে। একই নিয়মে জার্মানির বুন্দেসলিগা, ফরাসি লিগ ১, সৌদির প্রো লিগ। কিন্তু ইতালির সিরি আ-তে লোনের নিয়ম উয়েফার মতো উন্মুক্ত। ফলে দেখা যায় ইন্টার, এসি মিলান ও ইউভেন্টাসের মতো চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাবগুলো নিজেদের মধ্যে প্রচুর খেলোয়াড় লোনে আনে ও পাঠায়। খেলোয়াড়রাও নিজের মূল ক্লাবের বিরুদ্ধে নির্দ্বিধায় খেলেন, গোল করে সেলিব্রেশনও করেন।
ব্রাজিলের লিগে কর্তৃপক্ষ নিজস্ব নিয়ম রেখেছে, লোনের খেলোয়াড় মূল দলের বিপক্ষে খেলতে পারবে, তবে আর্থিক অঙ্কের জরিমানা বা ফি দিয়ে। আর্জেন্টিনার লিগ ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের মতো, আবার অবস্থা বিশেষে বিকল্পও রেখেছে ফি বা জরিমানার। আমেরিকার এমএলএস বা মেজর লিগ সকার পুরোপুরি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের মতো কঠোর। কিন্তু কোপা লিবার্তোদোরেস উয়েফার মতোই উন্মুক্ত মহাদেশীয় টুর্নামেন্ট।
যাই হোক, মূল প্রসঙ্গ আসি, ‘লোনে পাঠিয়ে মাথায় হাত’ দেবার মতো সেরা ১০ ঘটনায় :

কৌতিনিয়ো
ফিলিপে কৌতিনিয়ো (২০১৯/২০)
বার্সেলোনা চড়া দামে কেনে কৌতিনিয়োকে। কিন্তু ফ্লপ হওয়ায় কৌতিনিয়োকে বায়ার্ন মিউনিখে লোনে পাঠায়। আর সে বছরই বায়ার্নের হয়ে ট্রেবল জেতেন কৌতিনিয়ো। আর নাটক হিসেবে, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে নিজের মূল ক্লাব বার্সেলোনার বিপক্ষে খেলতে হয় তাকে। মাঠে নামার মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যে তিনি নিজের মূল ক্লাব বার্সেলোনাকে স্তব্ধ করে দেন। বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নেমে ২টি গোল ও ১টি অ্যাসিস্ট করে ফলাফল দাঁড় করান বায়ার্ন ৮-২ বার্সেলোনা।
এখানেই কি শেষ? লোনে পাঠানো খেলোয়াড়ের জোড়া গোল ও এক অ্যাসিস্টের সেই লজ্জাজনক হারের ক্ষত একদিকে, তাতে নুনের ছিটা হিসেবে বার্সেলোনার দ্বিগুণ আর্থিক ক্ষতি হয় অন্যদিকে। ১২০ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে কেনা খেলোয়াড়ের জন্য আরো ৪০ মিলিয়ন ইউরো গুনতে হয় বার্সাকে।
যদিও কৌতিনিয়োর লোনে কোনো প্যারেন্ট ক্লাব ক্লজ ছিল না, তবে ছিল লিভারপুল ক্লজ। কেনার সময় চুক্তির অদ্ভুত শর্তের কারণে, বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে কৌতিনিয়ো যখন সে বছর চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ট্রফি জেতেন, তখন বার্সেলোনাকে উলটো তার সাবেক ক্লাব লিভারপুলকে অতিরিক্ত ৫ মিলিয়ন ইউরো বোনাস দিতে হয়েছিল। ধাপে ধাপে যে বোনাস গিয়ে দাঁড়ায় ৪০ মিলিয়ন ইউরোতে।

মরিয়েন্তেস
ফার্নান্দো মরিয়েন্তেস (২০০৩/০৪)
খেলোয়াড়কে লোনে পাঠিয়ে খেসারত রিয়াল মাদ্রিদকেও দিতে হয়েছিল। সে সময় রিয়াল মাদ্রিদে রোনালদো নাজারিও, জিদান ও ফিগোর মতো বিশ্বসেরা গ্যালাক্টিকোর ভিড়ে মরিয়েন্তেস খেলার সুযোগ পাচ্ছিলেন না। ২০০৩ সালের দলবদলের একেবারে শেষ মুহূর্তে ফরাসি ক্লাব মোনাকোর স্ট্রাইকার শাবানি নোন্দা মারাত্মক ইনজুরিতে পড়লে মোনাকো জরুরি ভিত্তিতে মরিয়েন্তেসকে লোনে নিতে চায়। রিয়াল মাদ্রিদও তাকে স্কোয়াড থেকে সরাতে উদগ্রীব ছিল। তাই চুক্তিতে কোনো বাড়তি জটিলতা বা খেলোয়াড়কে আটকানোর মতো ক্লজ রাখার প্রয়োজনই মনে করেনি।
সেই এক মৌসুমের লোনেই মরিয়েন্তেস মোনাকোর হয়ে অবিশ্বাস্য ঘটনার জন্ম দেন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ কোয়ার্টার ফাইনালে মূল ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের মুখোমুখি হন। দুই লেগে ২ গোল ও ১ অ্যাসিস্ট করে রিয়াল মাদ্রিদকে ছিটকে ফেলেন আসর থেকে। আর পুরো আসরে ৯ গোল করে মোনাকোকে ফাইনালে তোলেন। সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নিজে জেতেন গোল্ডেন বুট। রিয়াল মাদ্রিদের এই মরিয়েন্তেস বুমেরাং ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আইরনিক্যাল ঘটনার একটি।

কোর্তোয়া
থিবো কোর্তোয়া (২০১১-১৪)
তরুণ কোর্তোয়াকে কিনে টানা ৩ মৌসুমের জন্য আতলেতিকো মাদ্রিদে লোনে পাঠায় চেলসি। এই লোন স্পেলই কোর্তোয়াকে বিশ্বের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। তিনি আতলেতিকোকে লা লিগা জেতাতে এবং ২০১৪ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে তুলতে অবিশ্বাস্য ভূমিকা রাখেন। নিজের মূল ক্লাব চেলসিকেই সেমিফাইনালে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়ে হারিয়ে দেন।
কোর্তোয়ার ঘটনা এইটুকুই না। চেলসি সেমিফাইনালের আগে আতলেতিকো মাদ্রিদকে হুমকি দেয় যে, কোর্তোয়াকে চেলসির বিরুদ্ধে খেলালে ‘প্যারেন্ট ক্লাব ক্লজ’ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী আতলেতিকোকে প্রতি ম্যাচের জন্য ৩ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা দিতে হবে। কিন্তু উয়েফা এতে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে। চেলসিকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানায়, এই শর্ত উয়েফার আইনের পরিপন্থী ও উয়েফার আসরে এই নিয়ম প্রযোজ্য না। ফলে আতলেতিকো কোনো টাকা না দিয়েই কোর্তোয়াকে খেলায় এবং কোর্তোয়া চেলসিকে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে দেন।

লোইক রেমি
লোইক রেমি (২০১৩)
কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্সে রেমির সাপ্তাহিক বেতন ছিল ৭০,০০০ পাউন্ড। ক্লাবটি রেলিগেশনের কবলে পড়লে ক্লাবের খরচ কমানোর জন্য ফরাসি স্ট্রাইকার লোইক রেমিকে নিউক্যাসল ইউনাইটেডে লোনে পাঠায়। নিউক্যাসলের হয়ে রেমি সে বছর দারুণ খেলেন। লিগের ম্যাচে নিউক্যাসল ও রেমির মূল ক্লাব কিউপিআর মুখোমুখি হয়। ‘প্যারেন্ট ক্লাব ক্লজ’ অনুযায়ী, নিজের মূল ক্লাবের বিপক্ষে খেলতে নামেননি সেদিন।
তবে গ্যালারিতে বসে খেলা দেখছিলেন। নিউক্যাসল ম্যাচটি জিতে যায়। আর কিউপিআর রেলিগেটেড হয়ে প্রিমিয়ার লিগ থেকে নেমে ২য় স্তর ‘চ্যাম্পিয়নশিপ’-এ নেমে যায়। ক্যামেরায় ধরা পড়ে, লোইক রেমি নিজের মূল ক্লাবের এই সর্বনাশ দেখে গ্যালারিতে বসে হাসছেন, হেসেই যাচ্ছেন একটু পরপর আর নিশ্চিন্তে পপকর্ন খাচ্ছেন।

লুকাকু
রোমেলু লুকাকু (২০১২/১৩)
তরুণ লুকাকুকে ওয়েস্ট ব্রমউইচ অ্যালবিয়নে লোনে পাঠায় চেলসি। সে বছর লুকাকু চেলসির যে কোনো স্ট্রাইকারের চেয়ে বেশি (১৭টি) গোল করেছিলেন। সব দলের বিপক্ষে গোল করতে থাকা লুকাকু শুধু নিয়মের কারণে চেলসির জালেই বল পাঠাতে পারেননি।
তবে সবচেয়ে মজার এবং ঐতিহাসিক ঘটনাটি ঘটে মৌসুমের শেষ ম্যাচে। ম্যাচটি ছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কিংবদন্তি ম্যানেজার স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের ক্যারিয়ারের ১৫০০তম এবং বিদায়ী ম্যাচ। ইউনাইটেড একপর্যায়ে ৫-২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। এরপর বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নেমে লুকাকু দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিক করে বসেন। ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ৫-৫ গোলে ড্র হয়। স্যার ফার্গুসনের বিদায়ী উৎসবটাকে মাটি করে দেন একাই।

জোয়াও কানসেলো
জোয়াও কানসেলো (২০২৩)
পেপ গার্দিওলার অন্যতম প্রিয় রাইট-ব্যাক ছিলেন কানসেলো। কিন্তু ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ট্যাকটিক্স নিয়ে গার্দিওলার সাথে ঝামেলার পর হুট করেই উইন্ডোর শেষ দিনে তাকে বায়ার্ন মিউনিখে লোনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কানসেলো বায়ার্নে গিয়ে বুন্দেসলিগা জেতেন। এরপরের মৌসুমে লোনে বার্সেলোনায় চলে যান।
তিনি সিটি থেকে লোনে বের হওয়ার পর ম্যানচেস্টার সিটি ঐতিহাসিক ‘ট্রেবল’ ও টানা প্রিমিয়ার লিগ জেতে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপাজয়ী হিসেবে কাগজে-কলমে কানসেলোও ছিলেন, তাই মেডেলও পেয়েছিলেন। কারণ সিটির হয়ে গ্রুপ পর্বে খেলেছিলেন যেহেতু। অর্থাৎ নিজের ক্লাবের বিরুদ্ধে হেরেও তিনি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতেন।

হামেস রদ্রিগেস
হামেস রদ্রিগেস (২০১৭)
২০১৪ বিশ্বকাপ পারফরম্যান্সে মুগ্ধ রিয়াল মাদ্রিদ কলম্বিয়ান তারকা হামেস রদ্রিগেসকে ৮০ মিলিয়ন ইউরোতে দলে নেয়। এমনকি ১০ নম্বর জার্সিও পান তিনি। কিন্তু জিনেদিন জিদানের অধীনে দলে জায়গা হারিয়ে হয়ে ওঠেন ‘ক্লাবের সবচেয়ে দামি বেঞ্চ ওয়ার্মার’। হামেস এরপর ২ বছরের জন্য লোনে বায়ার্ন মিউনিখে যান। সেখানে তিনি প্রথম মৌসুমেই দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হয়ে ওঠেন, জেতেন বুন্দেসলিগা।
মজার ব্যাপার হলো, রিয়াল ও বায়ার্ন চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়। হামেস সান্তিয়াগো বার্নাবেউতেই রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে গোল করে বসেন। গোল করার পর হাত তুলে মাদ্রিদ সমর্থকদের কাছে আত্মসমর্পণের ভঙ্গিতে ক্ষমা চেয়েছিলেন। আর ম্যাচ শেষে বার্নাবেউতেই তিনি গ্যালারির মাদ্রিদ ভক্তদের কাছে দাঁড়িয়ে প্রদর্শন করা সম্মান পান।

সানচো
জেডন সানচো (২০২৪)
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কোচ এরিক টেন হাগের সাথে ঝামেলার কারণে সানচোকে ২০২৪ সালের জানুয়ারি উইন্ডোতে পুরোনো ক্লাব ডর্টমুন্ডে লোনে পাঠানো হয়। ওল্ড ট্রাফোর্ডে প্রায় হারিয়ে যাওয়া সানচো ডর্টমুন্ডে ফিরেই ছন্দ খুঁজে পান। ডর্টমুন্ডকে ২০২৪ উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে তুলতে জাদুকরী পারফরম্যান্স দেখান সানচো।

আশরাফ হাকিমি
আশরাফ হাকিমি (২০১৮-২০)
রিয়াল মাদ্রিদে কারভাহালের ব্যাকআপ হিসেবে স্কোয়াডে ছিলেন বর্তমান মরক্কো তারকা অধিনায়ক। এক সময় প্লে-টাইমের অভাব ও খেলায় বিশেষ প্রভাব রাখতে ব্যর্থ হাকিমিকে ২ বছরের জন্য ডর্টমুন্ডে লোনে পাঠানো হয়। জার্মানিতে গিয়ে তিনি রাইট-ব্যাক পজিশন থেকে আক্রমণভাগের দানবে পরিণত হন। ডর্টমুন্ডের হয়ে ৭৩ ম্যাচে ১২টি গোল ও ১৭টি অ্যাসিস্ট করে তিনি নিজেকে বিশ্বের অন্যতম সেরা উইং-ব্যাক হিসেবে প্রমাণ করেন।

ওডিয়ন ইঘালো
ওডিয়ন ইঘালো (২০২০)
জানুয়ারি উইন্ডোতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড স্ট্রাইকার সংকটে ভুগছিল যখন, তখন তারা চীনের ক্লাব থেকে নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার ওডিয়ন ইঘালোকে ৫ মাসের জন্য লোনে নিয়ে আসে। শুরুতে সবাই ‘হাস্যকর সাইনিং’ বলে উপহাস করছিল।
কিন্তু ইঘালো ছোটবেলা থেকেই ইউনাইটেডের কট্টর ভক্ত ছিলেন। ওল্ড ট্রাফোর্ডে যোগ দেওয়ার জন্য তিনি নিজের বেতনের বিশাল অংশ ছেড়েই তবে স্বপ্নের দলে যোগ দেন। লোনে এসেই শুরুর একাদশের খেলোয়াড় হিসেবে ্নামা প্রথম ৪ ম্যাচেই ৫ গোল করে বসেন এবং প্রত্যেকটা গোলের পর শিশুর মতো উল্লাস করে উদযাপন করতেন। লকডাউনের সময়েও তার লোন স্পেল বাড়ানো হয় শুধু ক্লাবের প্রতি তার নিবেদন ও ভালোবাসার কারণে।
সৌদির লিগে যাচ্ছেন ‘মেসি’


রনক জামান
খেলাধুলার সব খবর ও বিশ্লেষণ সবার আগে পেতে চোখ রাখুন খেলারদেশে।
সম্পর্কিত আরও খবর
ফিচাররোনালদো কি এই মৌসুমেই ছেলের সঙ্গে মাঠে নামবেন?
ফিচারমার্কো ফন বাস্তেন: উট্রেখটের রাজহাঁস
ফিচারহাসান মাহমুদের বল যে ভাষায় সফল
ফিচারআর্জেন্টিনা দলে কৃষ্ণাঙ্গ খেলোয়াড় এত কম কেন?
ফিচারযেভাবে চলছে যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলের পুনর্গঠন
ফিচার



মন্তব্যসমূহ (0)
মন্তব্য করতে এবং আলোচনায় অংশ নিতে আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।