তিন মাসের নিষেধাজ্ঞায় মোহাম্মদ নওয়াজ
আইসিসি জানিয়েছে, ৩২ বছর বয়সী নওয়াজ অভিযোগ স্বীকার করেছেন এবং প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন যে নিষিদ্ধ দ্রব্য বা ওষুধটি তিনি কোনো টুর্নামেন্ট চলাকালীন সময়ে গ্রহণ করেন নি।

মাদককাণ্ডে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞায় মোহাম্মদ নওয়াজ
তিন মাসের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছেন পাকিস্তানের অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নওয়াজ। শুক্রবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল-আইসিসির ডোপিংবিরোধী বিধি লঙ্ঘনের দায়ে শাস্তি দেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও নির্ধারিত চিকিৎসা কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারলে সেই শাস্তি কমে এক মাসে নেমে আসবে।
এক বিবৃতিতে আইসিসি জানিয়েছে, নওয়াজের নিষেধাজ্ঞা ২০২৬ সালের ১ মে থেকে কার্যকর হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। ওই দিন থেকেই তিনি স্বেচ্ছায় অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞায় ছিলেন। ইতোমধ্যে প্রায় আড়াই মাস নিষেধাজ্ঞার সময় পার করায় তাঁর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। বাকি শাস্তিও মওকুফ হবে, যদি তিনি আইসিসির অনুমোদিত মাদকাসক্তি নিরাময় কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করেন। আইসিসি জানিয়েছে, ৩২ বছর বয়সী নওয়াজ অভিযোগ স্বীকার করেছেন এবং প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন যে নিষিদ্ধ দ্রব্য বা ওষুধটি তিনি কোনো টুর্নামেন্ট চলাকালীন সময়ে গ্রহণ করেন নি। চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে ডোপ টেস্টে তাঁর নমুনায় নিষিদ্ধ পদার্থ ‘কারবক্সি-টিএইচসি’ শনাক্ত হয়। এটি আইসিসির ডোপিংবিরোধী বিধিমালায় ‘সাবস্ট্যান্স অব অ্যাবিউজ’ বা অপব্যবহৃত মাদক হিসেবে তালিকাভুক্ত। ডোপিং বিধি অনুযায়ী, নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ওই ম্যাচ এবং এরপর ১ মে পর্যন্ত নওয়াজ যে ম্যাচগুলো খেলেছেন, সেগুলোর ব্যক্তিগত পরিসংখ্যান বাতিল করা হয়েছে। এর আগে এপ্রিলে ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফো প্রথম জানায়, বিনোদনমূলক মাদক ব্যবহারের অভিযোগে নওয়াজ তদন্তের মুখে রয়েছেন। সেই ঘটনার জেরে ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্লাব সারের হয়ে টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে খেলার চুক্তিও ভেস্তে যায়। ২৬ মে থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত তাঁর সারের হয়ে খেলার কথা থাকলেও নিষেধাজ্ঞার কারণে তা আর সম্ভব হয়নি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সাতটি ম্যাচেই খেলেছিলেন নওয়াজ। পাশাপাশি পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) মুলতান সুলতানসের হয়েও নিয়মিত খেলেছেন। সর্বশেষ ২৯ এপ্রিল মাঠে নামেন তিনি। নিষেধাজ্ঞার সময় পাকিস্তানের কোনো সীমিত ওভারের আন্তর্জাতিক সিরিজ না থাকায় জাতীয় দলের হয়ে কোনো ম্যাচ মিস করতে হয়নি এই অলরাউন্ডারকে। এদিকে, বিষয়টি নিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড-পিসিবি আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

খেলার দেশ ডেস্ক
খেলাধুলার সব খবর ও বিশ্লেষণ সবার আগে পেতে চোখ রাখুন খেলারদেশে।

মন্তব্যসমূহ (0)
মন্তব্য করতে এবং আলোচনায় অংশ নিতে আপনার গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন।